৭ মার্চ আওয়ামী লীগের জনসভা সফল করতে সবার আগে মাঠে নেমেছে ক্ষমতাসীন দলের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন ছাত্রলীগ। স্মরণকালের সবচে বিশাল সমাবেশ করতে ইতিমধ্যেই আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যেসব নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সেগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করার কাজ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ছাত্রলীগ। এমনকি সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করতে মাঠেও নেমে পড়েছে এ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তবে সমাবেশ সফল করতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পাশাপাশি চমক দেখাতে প্রস্তুতি সেরে নিয়েছে ঢাকা মহানগর উত্তর। এদিকে, ঢাকা শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে মাইকিং করে জনসভায় যোগ দিতে আহ্বান জানানো হচ্ছে। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি এম সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনের নির্দেশে এ কাজ শুরু করেছেন। জনসভা সফল করতে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে রাজধানীজুড়ে মাইকিং করার দায়িত্ব নিয়ে মাঠে সরব রয়েছে ২০ টি দল। সিএনজিতে করে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা মাইকিংয়ের দায়িত্ব নিয়ে জনগণকে আওয়ামী লীগের জনসভায় যোগ দিতে আহ্বান জানাচ্ছেন। ২০ টি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ২০ জন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক। বিষয়টি মনিটরিংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা হচ্ছেন ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক সাইফ উদ্দিন বাবু এবং দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার শাহজাদা। জনসভা সফল করতে ছাত্রলীগের মাঠে নামা প্রসঙ্গে প্রচার সম্পাদক সাইফ বাবু ভোরের পাতাকে বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন। আওয়ামী লীগের সফলতা মানেই ছাত্রলীগের সফলতা। আর ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল ভোগ করা দেশবাসীকে শেখ হাসিনার বক্তব্য শুনাতেই এ উদ্যোগ নিয়েছি। দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার শাহজাদা বলেন, ৭ মার্চ ঐতিহাসিক জনসভা ঢাকার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্বতস্ফূর্তভাবে মানুষ যোগ দিবেন এই জনসভায়। আগামী ৬ মার্চ পর্যন্ত ছাত্রলীগের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন দেলোয়ার। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সমাবেশে যোগ দিতে রামপুরা, বাড্ডা, সাতারকুল, বনশ্রী এলাকায় মাইকিং শুরু করেছেন কর্মসূচী ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক রাাকিব হোসেন এবং উপ আপ্যায়ন সম্পাদক আরিফুজ্জামান আল ইমরান। ভোরের পাতার সঙ্গে আলাপকালে দুজনই বলেছেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চেও জনসভা হবে স্মরণকালের সবচে বিশাল জনসভা। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দিক নির্দেশনা দিবেন। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত করতে বর্তমান সরকারের কোনো বিকল্প নেই সেই বিবেচনায় আওয়ামী লীগের জনসভাকে সাফল্যমণ্ডিত করতেই ছাত্রলীগ মাঠে নেমেছে। এদিকে, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে এ জনসভাকে ঘিরে ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। হাজার হাজার নেতাকর্মী নিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে জনসভাকে সফল করতে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এবার আওয়ামী লীগের জনসভায় চমক দেখাবেন বলেও জানান মিজানুর রহমান।
৭ মার্চ আওয়ামী লীগের জনসভা সফল করতে সবার আগে মাঠে নেমেছে ক্ষমতাসীন দলের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন ছাত্রলীগ। স্মরণকালের সবচে বিশাল সমাবেশ করতে ইতিমধ্যেই আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যেসব নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সেগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করার কাজ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ছাত্রলীগ। এমনকি সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করতে মাঠেও নেমে পড়েছে এ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তবে সমাবেশ সফল করতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পাশাপাশি চমক দেখাতে প্রস্তুতি সেরে নিয়েছে ঢাকা মহানগর উত্তর।
এদিকে, ঢাকা শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে মাইকিং করে জনসভায় যোগ দিতে আহ্বান জানানো হচ্ছে। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি এম সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনের নির্দেশে এ কাজ শুরু করেছেন। জনসভা সফল করতে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে রাজধানীজুড়ে মাইকিং করার দায়িত্ব নিয়ে মাঠে সরব রয়েছে ২০ টি দল। সিএনজিতে করে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা মাইকিংয়ের দায়িত্ব নিয়ে জনগণকে আওয়ামী লীগের জনসভায় যোগ দিতে আহ্বান জানাচ্ছেন।
২০ টি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ২০ জন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক। বিষয়টি মনিটরিংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা হচ্ছেন ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক সাইফ উদ্দিন বাবু এবং দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার শাহজাদা। জনসভা সফল করতে ছাত্রলীগের মাঠে নামা প্রসঙ্গে প্রচার সম্পাদক সাইফ বাবু ভোরের পাতাকে বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন। আওয়ামী লীগের সফলতা মানেই ছাত্রলীগের সফলতা। আর ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল ভোগ করা দেশবাসীকে শেখ হাসিনার বক্তব্য শুনাতেই এ উদ্যোগ নিয়েছি। দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার শাহজাদা বলেন, ৭ মার্চ ঐতিহাসিক জনসভা ঢাকার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্বতস্ফূর্তভাবে মানুষ যোগ দিবেন এই জনসভায়। আগামী ৬ মার্চ পর্যন্ত ছাত্রলীগের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন দেলোয়ার।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সমাবেশে যোগ দিতে রামপুরা, বাড্ডা, সাতারকুল, বনশ্রী এলাকায় মাইকিং শুরু করেছেন কর্মসূচী ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক রাাকিব হোসেন এবং উপ আপ্যায়ন সম্পাদক আরিফুজ্জামান আল ইমরান। ভোরের পাতার সঙ্গে আলাপকালে দুজনই বলেছেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চেও জনসভা হবে স্মরণকালের সবচে বিশাল জনসভা। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দিক নির্দেশনা দিবেন। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত করতে বর্তমান সরকারের কোনো বিকল্প নেই সেই বিবেচনায় আওয়ামী লীগের জনসভাকে সাফল্যমণ্ডিত করতেই ছাত্রলীগ মাঠে নেমেছে।
এদিকে, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে এ জনসভাকে ঘিরে ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। হাজার হাজার নেতাকর্মী নিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে জনসভাকে সফল করতে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এবার আওয়ামী লীগের জনসভায় চমক দেখাবেন বলেও জানান মিজানুর রহমান।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন